Lily Ahmed Trust Logo           

কার্যক্রমঃ

‘লিলি আহমেদ ট্রাষ্ট’-এর পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হয় ২০১২ সালের ৭ই জানুয়ারী । বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কৃষিঋণ নিয়ে সময় ও শর্ত অনুযায়ী তা পরিশোধ করতে না পারায় এক প্রান্তিক কৃষকের ঋণের পরিমাণ অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছায় । ট্রাষ্ট-এর পক্ষ থেকে কৃষি ব্যাংকের স্থানীয় শাখায় যোগাযোগ করে উক্ত কৃষকের সমুদয় ঋণ নগদ অর্থে পরিশোধ করা হয় ।

একই গ্রামের এক দরিদ্র ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে স্থানীয় একটি ওষুধের দোকান থেকে বাকীতে ওষুধ ক্রয় করতেছিল । কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার এই ঋণ পরিশোধে সম্পূর্ণভাবে অক্ষম হয়ে পড়ে । এমতাবস্থায় উক্ত ওষুধ বিক্রেতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে ‘লিলি আহমেদ ট্রাষ্ট’ এই ঋণ পুরোপুরি পরিশোধের ব্যবস্থা করে ।

ঠিক একই সময় পার্শ্ববর্তী জেলার একটি গ্রামের মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শনকালে ছোট ছোট এতিম শিশুদের আবাসনজনিত দুর্ভোগ লক্ষ্য করা যায় । প্রচন্ড শীতের মাঝে তারা মেঝেতে কাপড় বিছিয়ে পড়াশোনা করছে । ‘লিলি আহমেদ ট্রাষ্ট’ তৎক্ষণাৎ এই অসহায় শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ কার্পেট ক্রয় করে তা বিতরনের ব্যবস্থা করে এবং তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের চেষ্টা করে ।

শিক্ষাই আলো –দূর করে অন্ধকার। দেশের পশ্চাদপর এলাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি আরও অধিক আগ্রহী করে তোলার জন্য ‘লিলি আহমেদ ট্রাষ্ট’ উদ্যোগী হয় শিক্ষাবৃত্তি প্রবর্তনের । এর অংশ হিসেবে ‘রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জেলাঃ মাগুরা’-তে প্রথমবারের মতো ‘লিলি আহমেদ ট্রাষ্ট শিক্ষাবৃত্তি’ প্রচলন করা হয় । ২০১২ সালের ২৬শে ডিসেম্বর বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সকল ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকবৃন্দের উপস্থিতিতে আনন্দঘন পরিবেশে এক অনাড়াম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয় । এই বৃত্তির আওতায় প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত সকল শ্রেনীর প্রথম তিনজন কৃতি শিক্ষার্থীকে আর্থিক পুরষ্কার দেয়া হয় । এই শিক্ষাবৃত্তি এলাকায় ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে ।